
আসন্ন এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মেহেদী হাসান রনভী।
চরফ্যাশন পৌরসভার কৃতি সন্তান ব্যারিস্টার রনভী বিএনপি পরিবারের সদস্য। তার বাবা অধ্যাপক আব্দুর রব চরফ্যশন উপজেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি এবং তিনি চরফ্যাশন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ছিলেন। বর্তমানে তিনি সমাজসেবামূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত আছেন। রনভীর মা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সক্রিয় কর্মী।
হাইস্কুল জীবন থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয় ব্যারিস্টার রনভী। ৯০- দশকে এরশাদ বিরোধী গন আন্দোলনে অংশ গ্রহনের মাধ্যমে ছাত্রদলের নেতৃত্ব দিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আত্মপ্রকাশ করেন। ১৯৯১ সালে এস এস,সি ও ১৯৯৩ সালে এইচ,এস,সিতে চরফ্যাশন উপজেলায় সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে যশোর শিক্ষা বোর্ডে মেধার স্বাক্ষর রাখেন। শিক্ষাজীবনের পাশাপাশি তিনি ১৯৯২ সালে চরফ্যাশন সরকারি কলেজ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
শিক্ষা জীবনে তিনি নটরডেম কলেজ, ঢাকা কলেজ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ইটালির কালাব্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাজ্যের লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় এবং বি.পি.পি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা সম্পন্ন করেন।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে ১৯৯৬ ও ১৯৯৮ সালে একাধিক মামলার আসামি হয়ে তিনি কারাবরণ করেন এবং পরবর্তীতে পড়াশুনার জন্য বিদেশে পাড়ি জমান। ইটালিতে অবস্থানকালে তিনি বিএনপি’র বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। দেশে ফিরে ২০০৬ সালে চরফ্যাশন উপজেলা যুবদলের সহ-সভাপতি হিসেবে সক্রিয় দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
পেশাগত জীবনে ব্যারিস্টার রনভী বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কার্যনির্বাহী সদস্য।বিএনপির দলীয় আন্দোলন- সংগ্রামে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অংশগ্রহণের জন্য তিনি সর্বমহলে প্রশংসিত। লন্ডনে অবস্থানকালে যুক্তরাজ্য বিএনপি এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের রাজনৈতিক কার্যক্রমে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই রউদীয়মান মেধাবী তরুণ নেতা বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন এবং এলাকার উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কাজে নিজেকে নিবেদিত রাখেন।
ব্যারিস্টার রনভী বলেন,
“বিগত একাদশ জাতীয় নির্বাচনে আমি ভোলা-৪ আসনে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলাম। দল তখন আমাকে বলেছে দলের জন্য কাজ করলে কার্যক্রম বিবেচনা করে ভবিষ্যতে দলের মনোনয়ন দিবেন বলে আশ্বাস দিয়েছিল। এবার মনোনয়ন পেলে দলমত নির্বিশেষে জনগণের সমর্থনে বিজয়ী হয়ে ভোলা-৪ বিএনপির আসন পুনরুদ্ধার করতে চাই। চরফ্যাশন ও মনপুরাকে উন্নয়নের রোল মডেল উপজেলায় রূপান্তর করাই হবে আমার লক্ষ্য উদ্দেশ্য।






















আপনার মতামত লিখুন :