
চরফ্যাসন প্রতিনিধি।।
চরফ্যাসনের শিশু জুনায়েদ বাঁচতে চায়। মাত্র ১০ বছর বয়সী শিশুটি যখন মাঠে খেলাধুলায় ব্যস্ত থাকার কথা, তখন সে হাসপাতালের বেডে শুয়ে বাঁচার আকুতি জানাচ্ছে।
জুনায়েদ ভোলা চরফ্যাসন উপজেলার এওয়াজপুর ইউনিয়নের দলিল লেখক আনোয়ার হোসেন করিম ও মোসাম্মদ জান্নাত দম্পতির প্রথম সন্তান,ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র জুনায়েদ পড়ালেখা অবস্থায় তার কিডনি সমস্যায় অসুস্থ হয়ে পরলে দ্রুত সময়ের মধ্যেই তার দুটি কিডনি বিকল হয়ে যায়,
বর্তমানে সে চরফ্যাসন সেন্ট্রাল ইউনাইটেড হসপিটালে প্রতি সপ্তাহে তিনবার ডায়ালাইসিস সেবা নিয়ে বেঁচে আছে। স্বল্পআয়ের বাবা আনোয়ার হোসেন করিম তার সন্তানকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য ব্যয়বহুল চিকিৎসার ভার বহন করতে হিমশিম খাচ্ছেন। অসুস্থ জুনায়েতের ছোট
আরো দুই ভাই-বোন আছেন।
জুনায়েদ এর বাবা সময়ের খবর কে বলেন আপনাদের মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে আমি আমার সন্তানের জন্য দোয়া প্রার্থনা করছি, তিনি আরো বলেন আমি আমার সন্তানকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য আমার নিজের অথবা আমার স্ত্রীর কিডনি টান্সফার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মা বাবা দুজনের মধ্যে যেকোনো একজন তাকে একটি কিডনি দান করার সিদ্ধান্ত তারা খুব শীঘ্রই নিবেন বলে জানিয়েছেন।
সেন্ট্রাল ইউনাইটেড হসপিটালের চেয়ারম্যান ইয়াছিন আরাফাত জানান ভোলা জেলায় অনেকেই ডায়ালাইসিস সেবা নেওয়ার জন্য বরিশাল ঢাকায় যেতে হতো বেশ কিছুদিন আগে আমাদের প্রতিষ্ঠানে ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপন করার পরে অনেক রোগীর মাঝে সর্বপ্রথম অবুঝ শিশুটিকে আমারা রোগী হিসেবে পেয়েছি,বেঁচে থাকার যে কি আকুতি অনেক সময় ছেলেটির চোখের দিকে তাকিয়ে থাকলে উপলব্ধি করা যায়।
তিনি আরো বলেন আমরা যথেষ্ট সেক্রিফাইস করে সাবধানতার সাথে শিশুটিকে ডায়ালাইসিস সেবা দিয়ে যাচ্ছি, এবং ছেলেটির সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।






















আপনার মতামত লিখুন :