খালেদা জিয়ার পুত্রবধু ও নাতনি করোনায় আক্রান্ত


সময়ের খবর ডেস্ক প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ১৪, ২০২২, ৩:৩৪ অপরাহ্ন /
খালেদা জিয়ার পুত্রবধু ও নাতনি করোনায় আক্রান্ত

সময়ের খবর ডেস্ক।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রয়াত ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান সিঁথি ও মেয়ে জাহিয়া রহমান করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

একটি সূত্র সময়ের খবর কে এ বিষয়টি নিশ্চিত করলেও বিএনপির পক্ষ থেকে কেউ নিশ্চিত করেননি।

জানা গেছে, শর্মিলা রহমান ও জাহিয়া রহমান বর্তমানে খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসা ফিরোজায় অবস্থান করছেন। বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) তাদের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে।
তবে খালেদা জিয়ার প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান সময়ের খবর কে বলেন, এতথ্য সঠিক নয়। আমি যতদূর জানি শর্মিলা রহমান ও তার মেয়ে সুস্থ আছেন।

তারা গুলশানের বাসায় আছেন। শর্মিলা রহমান শুক্রবার(১৪ জানুয়ারি) তার শাশুড়ি খালেদা জিয়াকে দেখতে এভার কেয়ার হাসপাতালে গিয়েছেন।
গত ২৪ অক্টোবর লন্ডন থেকে দেশে আসেন শর্মিলা রহমান। ১৩ নভেম্বর খালেদা জিয়াকে এভার কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করার পর প্রায় প্রতিদিনই হাসপাতালে যেতেন তিনি। শাশুড়ির দেখাশুনা করার জন্যই মূলত তিনি ঢাকায় অবস্থান করছেন।

সূত্র জানায়, গুলশানে ৭৯ নম্বর রোডের এক নম্বর বাসা ফিরোজায় অবস্থান করা খালেদা জিয়ার সেবায় নিয়োজিত সব কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নিরাপত্তায় নিয়োজিত কর্মীসহ সবার করোনা পরীক্ষা করা হবে। ওই বাসার সবার করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ পাওয়া গেলে শিগগিরই খালেদা জিয়াকেও বাসায় নিয়ে যাওয়া হবে।

জানা গেছে, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খুব একটা উন্নতি না হলেও তাকে বাসায় নেওয়ার চিন্তা করছেন চিকিৎসকরা। কারণ দেশে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ায় তাকে হাসপাতালে রাখাটা ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছেন তার চিকিৎসক বোর্ডের সদস্যরা। সেজন্য তাকে বাসায় রেখে চিকিৎসা দেওয়া হতে পারে। মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্যরা খুব শিগগিরই বৈঠক করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে খালেদা জিয়ার চিকিৎসক দলের সদস্য ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেজর ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেন সময়ের খবর কে বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারছি না।

এদিকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও তার স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ১১ জানুয়ারি থেকে উত্তরার বাসায় অবস্থান করছেন। শারীরিকভাবে তারা সুস্থ আছেন বলে জানা গেছে।