
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা পোষ্ট অফিস ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ব্যবহার অযোগ্য হলেও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে সেবা কার্যক্রম। একারণে অফিসটির কর্মকতা কর্মচারী এবং সেবা নিতে আসা লোকজনের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে। সাবেক পোষ্টমাস্টার ইকবাল হোসেন জানান, ২০২৩ সনের জানুয়ারী মাসে ঢাকা থেকে ইঞ্জিনিয়ার এবং ঠিকাদার ভবনটি পরিদর্শনে আসেন। তারা ভবনটি মেরামত অযোগ্য ঘোষনা দিয়ে এটি পুনর্নির্মান করা হবে বলে জানান। কিন্তু ভবন পুনর্নির্মান না করে সংস্কারের অর্ডার হয়। ঐবছরের ২ সেপ্টেম্বর ঠিকাদার সংস্কার কাজ শুরু করলে স্থানীয়রা কাজে বাধা দেন। তারা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তপক্ষকে জানালে ডাক অধিদপ্তর ঢাকার তৎকালীন অতিরিক্ত মহাপরিচারক মো. গোলাম মোস্তফার নির্দেশে সংস্কার কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এরপর বরিশালের তৎকালীন ডিপিএমজি এবং ভোলার তৎকালীন পোষ্ট অফিস পরিদর্শক এমরান হোসেন পরিদর্শনে এসে এখানে একটি নতুন ডিজিটাল পোষ্ট অফিস ভবন নির্মাণ হবে বলে জানান। কিন্তু তাদের ঘোষনার পর প্রায় ৩বছর হলেও এখনো নির্মান হয়নি পোষ্ট অফিস ভবন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সম্পূর্ণ ব্রিকের ওপরে নির্মিত পোষ্ট অফিস ভবনটির ছাদ এবং ছাদের বিমের অধিকাংশ স্থানের পলেস্তারা খসে পড়ে রডগুলো জং ধরে নষ্ট হয়ে গেছে। দেওয়ালের কয়েক জায়গায় ফাটল ধরেছে। নষ্ট হয়ে গেছে দেওয়ালের অধিকাংশ স্থানের পলেস্তারা। জানাগেছে, ১৯৮৪ সালে দুই তলার এই পোষ্ট অফিস ভবনটি নির্মিত হয়।
সেবা নিতে আসা আবদুল মন্নান ও হামিদুর রহমান বলেন, এই পোস্ট অফিসে ঢুকতে ভয় লাগে। তারপর কাজের স্বার্থে জীবন ঝুঁকি জেনেও ঢুকতে হচ্ছে। কখন দূর্ঘটনার শিকার হই এই ভয়ে থাকি। পোস্টমাস্টার মো.আলমগীর বলেন, এটি ব্যবহার অযোগ্য একটি ভবন। যে কোন সময় ভবনটি ধ্বসে পড়তে পারে। জীবন ঝুঁকি জেনেও নিরুপায় হয়ে সেবা নিতে আসা লোকজন এবং আমরা কাজ করছি। ৩ বছর আগে সংস্কার কাজ শুরু হলেও মেরামত অযোগ্য হওয়ায় কাজ বন্ধ করা হয়। ভবনটির খারাপ অবস্থার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানেন জানিয়ে এ কর্মকর্তা সেবা নিতে আসা লোকজন এবং অফিস ষ্টাফদের নিরাপত্তা বিবেচনায় দ্রুত একটি নতুন ভবন নির্মানের দাবী জানিয়েছেন।






















আপনার মতামত লিখুন :